অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

গল্প: ঠিক সেই ঘটনাটিই সেদিন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে ঘটেছিল

তোমার সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার ক্ষণটির কথা আজও আমার মনে আছে। টিএসসি এলাকায় ডাস-এর ঠিক পেছনটায়, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটির সামনে; বেদির নিচের যে ছোট্ট সবুজ ঘাসটুকু- ওই খানটায় একটা ঠান্ডা লাচ্ছির গ্লাস নিয়ে বসে ছিলে তুমি। আমি বোধহয় সেদিন তোমায় খানিকটা সময় অপেক্ষা করিয়েছিলাম, তাই না?

সেদিন হয়েছিল আমাদের প্রথম দেখা। আর তার আগে যে কত শত শত টেক্সট মেসেজ চালাচালি! নামি, বেনামি কত অসংখ্য মাধ্যমে। মেসেজ আদানপ্রদান করে-করেই নিজেদের সব কথা বলা হয়ে গিয়েছিল আমাদের, তাই না? যেন বলার ছিল না কোনকিছু, যেবার আমরা প্রথমবারের মতো নিজেদের সামনাসামনি দেখেছিলাম।

দেখা হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কি করেছিলে তুমি? বরফ ঠান্ডা লাচ্ছি মুখে নিয়ে বিষম খেয়েছিলে, ঠিক না? আমাকে যেমনটি ভেবেছিলে একদমই তেমনটি ছিলাম না আমি, ঠিক কিনা? ডিজিটাল এই যুগে আমরা কজনই বা নিজেদের সারাদিন কেমন দেখায়, সেটা পৃথিবীকে দেখাই?

স্কুলের প্রেম

গীতিকবিতাঃ স্কুলের প্রেম
আহসান হাবিব
০১/০৮/২০২২

স্কুল জীবন মজার জীবন
বারে বারে প্রেম আসে
এই প্রেমেতে রস বেশী তাই
আবেগেতে ভাসে।

সর্দি যেমন প্রথম প্রথম
অতি মাত্রায় ঝরে
স্কুলের প্রেম তেমনি
জ্বালায় সকাল দুপুর
সারা রাত্রি ধরে
কখনো তা বিসৃতি হয় না
স্বপনেতেও আসে।
এই প্রেমেতে রস বেশী তাই
আবেগেতে ভাসে।

সর্দি যেমন পেকে গেলে
অতি নাহি ঝরে
স্কুলের প্রেম তেমনি ভাবায়
বছর ছয় মাস পরে।
কেমনে করবো বিয়া সখি
কেমন খাওয়াবো
এসব চিন্তা আসে।
এই প্রেমেতে রস বেশী তাই
আবেগেতে ভাসে।

পাকা সর্দি ঢোক গিললে
গলাধঃকরণ হলে।
বেঁচেই গেলো চিন্তা নাহি
ভোগাবে না দিলে
স্কুলের প্রেম সফল
হইলে ভালো
না হইলে জ্বলবে
সারা জীবন
কখনো আবার মরন
হয়ে আসে।
এই প্রেমেতে রস বেশী তাই
আবেগেতে ভাসে।

কন তুমি বিদেশ গেলে

গীতিকবিতাঃ কেন তুমি বিদেশ গেলে
আহসান হাবিব
৩১/৭/২০২২
ও বন্ধুরে, সোনা বন্ধরে আমার...

কেন তুমি বিদেশ গেলে আর তো এলে না
আমার আন্ধার নিশি বুঝি আর পোহাবে না।
কেন তুমি বিদেশ গেলে আর তো এলে না।।

তোমায় নিয়া বাধিলাম ঘর আশার বালু চরে
ঝড় নাই বারিস নাই তবু কেন যে গেল পড়ে।
আমি মিছা আশায় মন বাধি,
তোমায় ভুলতে পারি না।।
আসবে বলে গেলে চলে
আর তো এলে না

দিনটা কাটে যেমন তেমন রাতটা বড়ই একা
মাঝ সমুদ্র জনমানবহীন নাই যে কারো দেখা
থাকি থাকি ঘুম ভেঙে যায়,
আর নিদ্রা আসে না।
আসবে বলে গেলে চলে
আর তো এলে না

পাড়া পরশী মন্দ বলে, এটা সেটা কথার ছলে
মুখ বুজে সব সহ্য করি,জবাব দিব কিসের বলে
পড়শী বাড়ীর বুড়া দাদুও খুটা মারে
সইতে পারি না।
আসবে বলে গেলে চলে
আর তো এলে না

আমি অধীর হয়ে বসে আছি

গীতি কবিতাঃ আমি অধীর হয়ে বসে আছি
আহসান হাবিব
২৪/০৭/২০২২
দয়ালরে, ওহো দয়াল আমার
আমি অধীর হয়ে বসে আছি
আসবে তুমি কবে?
পরবাস আর ভাল্লাগে না
জানিনা শেষ হবে কবে।

ভালোবাসার ডালি দিয়ে
পাঠাইলে এই ভবে
খাবার তরে জীবকে মেরে
উদর পুর্তি হবে
দয়ালরে,ওহো দয়াল আমার
পরবাস জীবন শেষ হইলে
নিধন খেলা শেষ হবে
পরবাস আর ভাল্লাগে না
জানিনা শেষ হবে কবে।

মায়া মমতায় ভরা মনটা আমার
যতোই করে দিন গুজরান
মানবতার নিধন, মানবতার হরন
দেখে দেখে হয় যে পেরেশান
দয়ালরে ওহো দয়াল আমার
জানাতাম নাতো আপন ভাইকে
মেরে দুনিয়ায় বাদশা হবে।
পরবাস আর ভাল্লাগে না
জানিনা শেষ হবে কবে?

তোমার দেয়া নির্মল প্রকৃতি
উজার হয়ে হারাইছে শ্রী
ধনের লোভে জনের লোভে
প্রতিযোগিতার নিচ্ছি প্রস্তুতি।
দয়ালরে ও দয়াল আমার
ধর্মের নামে শত বিভাজনে
কত খুন হয়েছে, আরো কতো হবে
পরবাস আর ভাল্লাগে না
জানিনা শেষ হবে কবে।

গল্প: এক এক্লিপস্-এ আটকে পড়া কালে ব্লু মুন খুব হেল্প করেছিল

সেবার ভালো না লাগার ব্যামোটা বেশ ভালো ভাবে আমাকে পেয়ে বসেছিল। কোনোকিছু ভালো লাগে না। সকালে ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগে না। বিছানায় গড়াগড়ি দিতে ভালো লাগে না। কারো সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে না। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে ভালো লাগে না। ভাজা-পোড়া খেতে ভালো লাগে না। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে ভালো লাগে না, চ্যাটিং করতে ভালো লাগে না। টরেন্ট দিয়ে মুভি নামাতে ভালো লাগে না। লাগে না তো লাগেই না। মাথাভর্তি সাইকেডেলিক জ্যাম। ঘরের স্পিকারে পিংক ফ্লয়েডের এক্লিপস্ বাজতে থাকে টানা। দিনের পর দিন কেটে যায়। আশপাশের মানুষ আমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। আমি তাদের জন্য কিছুই করতে পারি না।

স্ট্রিংস!

৩৩ বছর ধরে চলার পর একটা ব্যান্ড ভেঙ্গে গেলে আমার মনে হয় আরও আগে ভাঙ্গা উচিত ছিল। তাও তেত্রিশ বছর কাটলো কেউ কথা না রাখলেও, টুপ করে স্ট্রিংস ব্যান্ডটা ভেঙ্গে গেল। খবরটা আমি পড়েছিলাম আনন্দবাজারে। ফেইক নিউজ মনে করে ভালোই ছিলাম। কি মনে করে কয়েকদিন পর স্ট্রিংসের গান শুনছিলাম। দেখি কমেন্টে সবার আহাজারি। তখন মনে হলো ব্যাপারটা সত্যি। সবাই কমেন্টে আবেগপ্রবণ হয়ে গেছে দেখে আমি ইচ্ছে করেই কমেন্ট করলাম। স্ট্রিংস একটা ওভাররেটেড ব্যান্ড, আগেই ভাঙ্গা উচিত ছিল। মানুষ আমি আমার কেন রাইসুর মতো মন। দেখি পাকিস্তানী নওজোয়ানরা আমাকে ধুমায়া গালি দিচ্ছে। কমেন্টটা মুছলাম। লোকজনকে বোঝানো গেল না, অনলাইনে কমেন্ট একটা মুহূর্তের সিদ্ধান্ত। আসলে তো আমি কি পরিমান হতাশ সেটা তো আর বোঝানো যাবে না। আমরা ধরেন বিভিন্ন অনলাইন কমেন্ট স্ট্যাটাস পড়ে ভাবি লোকটা ওমন। সে ওমনটা নাও হতে পারে। হয়তো গড সিন্ড্রোমে ভুগছে, মজা নেয়া ও প্রতিক্রি

জি বাংলা ব্লুজ!

এই নামে ডার্কলিং এর ব্যানারে একটা বাংলাদেশের গান আছে। অনেকদিন ধরেই আমার ভীষণ প্রিয়। কখনো সময় পেলে শুনবেন। ইনডি কাজ, পৌছায় নাই সব জায়গায়। তো গানটার লিরিক কি?

ফুটন্ত কেটলির গানে কেটে গেছে বাকী সুর
ছোটবেলার আবছা স্বপ্নগুলো এলোমেলো বহুদূর।

কি চেয়েছিলে মাগো
কি হতে পারোনি
সাত সমুদ্দুর তেরো নদী দেয় কি হাতছানি?
কেউ কি জানে তুমি কত অভিমানী?
এক শাড়ীর আঁচলে ভালোবাসা পৌষ অগ্রহানী।

আমি জানি আমি জানি
তোমার চোখের পানি আমি জানি

টিভির শব্দে কান্নার আওয়াজ লুকিয়ে যায়
তেলেভাজা গন্ধে কমদামী সাবান ধুয়ে মিশে যায়।

কবিতা: তোমাকে করার একটা প্রশ্ন আছে মনে

তোমাকে করার একটা প্রশ্ন আছে মনে
আবার চিন্তা হয় নুন আনতে যাহার
পান্তা ফুরায়, তার কি সাজে এই ভুবনে
কাউকে নিয়ে চন্দ্রযানে
সওয়ার হওয়ার
স্বপ্ন দেখার।

চন্দ্রভ্রমণ দূরেই থাকুক
হাতের কাছে সিকিম চলো।
কি হয় তাতে? ছোট্ট সেটা স্বপ্ন আমার
তোমার সাথে রাতের আধাঁর, কাটলে কাটুক
পথেই নাহয়, হাতটি ধরে গল্প করে, চায়ের টংয়ে
পা নাচিয়ে, মেঠো পথে শিশির ছুঁয়ে, হাসতে হাসতে
ভরবো রাত। তোমার সনে একটি সাধ।

আর নাহয় তো বেনিংটনে, ছোট্ট কোন ফ্ল্যাটবাড়িতে
তোমার আমার যৌথখামার, সুখের প্রদেশ শান্তির দ্বার
সকাল যখন সাতটা বাজে, ঘড়ির ডাকে ছুটবো কাজে
রাতের বেলা ছুটছি দুজন, মজার শহর বেনিংটন
মধ্যরাতে খাচ্ছি পিজা, নিচ্ছি ট্রেন ইচ্ছামতো
ফিরছি ভোরে উইকেন্ডে, পাথর মনটা চাচ্ছে যতো।

তাও হবে না? সমস্যা নেই কো
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোব্যাগো
যাবে নাকি আমার সাথে
ওখানে একটা হোটেল হবে
সেই হোটেলে করবো আমি

শেকল পাখির গান!

আমি কোনোকিছুতেই প্রথম হয় নি।কিছু কিছু ব্যাপারে চাইলেই প্রথম হওয়া যায় তাতেও প্রথম হইনি। যেমন ধরুন এক্সাম হলে আপনি চাইলেই এক্সট্রা শীট নিতে পারবেন সবার আগে, খাইষ্টা টিচার ছাড়া কেউ জিগ্যেস করবে না, এত পেইজ এত অল্প সময়ে শেষ করলি কিভাবে? কিন্তু আমি অবাক হয়ে যেতাম, আমি কেবল শেষ করলাম একটা প্রশ্নের উত্তর, আর ওর পুরো খাতা শেষ। তাজ্জব ব্যাপার। তখন কেউ কেউ সান্তনা দিতে দিতে বলতো, ফাঁকা ফাঁকা করে লিখছে, যে গ্যাপ তার ভেতরেও একটা প্রশ্নের উত্তর লেখা যাবে। যারা সত্যিকারের ভালো ছাত্র, তাঁরা হাসতো, এসব পাগলকে পাত্তা দেয়ার কি। আমি আরো কিছুটা সময় ভেবে এই সিদ্ধান্তে আসতাম, যাক কিছুতে তো সে প্রথম হলো।

যে ভাবেই পথ চলি

আহসান হাবিব / যে ভাবেই পথ চলি
৭/৩/২০২২
এই পৃথিবীতে যেভাবেই পথ চলি
আজ না হয় কাল থামতেই হবে।
ধীরে চলি বা দ্রুত চলি একদিন
তো থামতেই হবে।।
সুখে থাকি দুখে থাকি,
দরিদ্র বা ধনী থাকি
পথ তো চলতেই হবে
একদিন তো থামতেই হবে।

কেউ বা জগৎ বিখ্যাত হয়ে
কেউ আঁধারের অধস্তনে গিয়ে
কেউ খেতে না পেরে ছুড়ে ফেলে
কেউ ডাস্টবিনের খাবার গো গ্রাসে গেলে
কিই বা যায় আসে তাতে
একদিন তো যেতেই হবে।
তাই তো পথ চলতেই হবে
একদিন তো থামতেই হবে।

পৌ পৌ পৌ

আহসান হাবিব/পৌ পৌ পৌ
২৫/০২/২০২২
আজ দুপুরেের পর থেকে
অনবরত একটি পাখি
পৌ পৌ পৌ ডেকে যাচ্ছে।
কি যে করুন সুর
আর মেলডী।

যখন ছোট ছিলাম
গ্রামের বাড়ীতে
প্রায়ই এই ডাক শুনতে
পেতাম।
এই ডাক শুনলে মা সহ্য
করতে পারতেন না।
মায়ের ধারনা ছিল
এই পাখিটি তার
পুত্রকে হারিয়েছে
তাই পুত্রের কথা মনে হলেই
সে পৌ পৌ করে কেঁদে
শোক করতে থাকে।
কাছাকাছি হলে মা পাখিটিকে
তাড়িয়ে দিতেন।
কারণ আমার পিঠাপিঠি বড়
ভাই
কোন এক রুগে কদিন জ্বরে
ভুগেই মারা যান।
তাই মা এই পাখির ডাক শুনলে
সহ্য করতে পারতেন না।
আজ আমারো এই ডাকটি
সহ্য হচ্ছে না।
২০১০ সালে আপন ঠিকানায়
চলে যাওয়া মার কথা
খুব মনে পড়ছে।
আর মনে পড়ছে
সেই রেললাইনে ধারে
মেঠো পথটার পারে দাড়িয়ে
এক মধ্য বয়সী নারি
এখনো রয়েছে হাত বাড়িয়ে
খোকা ফিরবে
ঘরে ফিরবে
নাকি ফিরবে না।
এই গানটি।
আমাদের গীতিকার জগতের
তারকা গীতিকার

দুনিয়া হতে আখেরাত ভালো

আহসান হাবিব/দুনিয়া হতে আখেরাত ভালো
২৮/২/২০২২

দুনিয়া হতে আখেরাত ভালো
জানো না কি ভাই
মহান আল্লাহ জানিয়েছেন তাই
সন্দেহের কিছু নাই।
দুনিয়া হতে আখেরাত ভালো
জানো না কি ভাই

আল্লাহর পেয়ারা হবেন যিনি
বেশুমার নেয়ামত পাবেন তিনি
সন্তোষ্ট চিত্তে রবে তুমি
আর কি বল চাই।।
দুনিয়া হতে আখেরাত ভালো
জানো না কি ভাই।

এতিম কে ধমক না দেই ভাই
প্রার্থীকে না করি তিরস্কার।
রব যে আমার কষ্ট পায় ভাই
তাই করো না অহংকার।
তুমিও ধ্বংস হয়ে যাবে
কত নজীর আছে ভাই।
দুনিয়া হতে আখেরাত ভালো
জানো না কি ভাই।

পরনিন্দা করো না ভাই

আহসান হাবিব
২৪/০২/২০২২

পরনিন্দা করো না ভাই সামনে
কিংবা পিছে।
ধ্বংস হয়ে যাবে তুমি কথা
নয়তো মিছে।

সম্পদ জমাইও না ভাই অধিক
লাভের আশে।
জগৎ ছেড়ে যাবার সময়
কিছুই রবে না পাশে।
তাই মিছে মোহ ছাড় বন্ধু
দুনিয়াটাই মিছে।
ধ্বংস হয়ে যাবে তুমি কথা
নয়তো মিছে।

ভাবো যদি সম্পদ তোমার
থাকবে চিরকাল
এই সম্পদি পরকালে
হবে তোমার কাল।
তাই মিছে মোহ ছাড় বন্ধু
দুনিয়াটাই মিছে।
ধ্বংস হয়ে যাবে তুমি কথা
নয়তো মিছে।

এই দুনিয়ায় হিসাব না দিলে
যাবে দুদকেরই জেলে
পরকালেও রেখেছেন খোদা
হুতামা দোজখ জ্বেলে।।
তাই মিছে মোহ ছাড় বন্ধু
দুনিয়াটাই মিছে।
ধ্বংস হয়ে যাবে তুমি কথা
নয়তো মিছে।

ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ

আহসান হাবিব /ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ
সময় মত পড়।
২২/২/২০২২
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ
সময় মত পড়।
আসমান জমীনের মাঝে যা আছে
হায়রে
তাহার চেয়েও অনেক বড়।
ভাইরে
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ
সময় মত পড়।
সুন্নতের যদি এমন দাম হয়
ফরজের দাম কত
আল্লাহ তায়ালায় ভালো জানেন
দিবেন ইচ্ছামত।
তাই অধম আবুল বলে
অবহেলা না কর ভাই
সময়মত নামাজ পড়।
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ
সময় মত পড়।

ঔই শুন ভোরের বেলা,
পাখির কিচির মিচির
ডাকে নিত্য ওঠ সবাই
হইয়া অস্থির।
প্রকৃতিতেই সকল শিক্ষা
হে মানব সকল কেন অবহেলা কর।
ভাইরে
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ
সময় মত পড়।

ভোরের বেলা উঠে পাখি
ছুটে যায় খাবার অন্বেষণে
সন্ধাকালে ফিরে আসে নীড়ে
খাবার খেয়ে
আবার সেই কিচির মিচির গানে।
আমি তুমি এটা পালন করলে
ধনে জনে ভরে উঠবে
আমার ছোট্ট ঘর।
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ
সময় মত পড়।

ওরে ও দক্ষিণা বাতাস

গীতিকবিতা/ ওরে ও দক্ষিণা বাতাস
আহসান হাবিব
২১/২/২০২২

ওরে ও দক্ষিণা বাতাস
কোথায় বইয়া যাও
কোথায় তোমার বাড়ি ঘর হায়
আমায় কইয়া যাও।

শান্ত হয়ে বহে গেলে
কি যে লাগে ভালো
তোমার ছোয়ায় দিলে মনে
জ্বলে প্রেমের আলো
তুমি বন্ধু আনন্দ নাচাও
আবার দুঃখের কারণ হও।
কোথায় তোমার বাড়ি ঘর হায়
আমায় কইয়া যাও।

কি যে তোমার হয় মাঝে মাঝে
বুঝতে নারি আমি
ঝড়ের রুপে সব ধ্বংস কর
মহাকাল হইয়া তুমি
কত জনবল কত জনপথ
ধ্বংস করে যাও।
কোথায় তোমার বাড়ি ঘর হায়
আমায় কইয়া যাও।

আমার ঘরে থাক তুমি
আমারে না কইয়া
কেমনে তুমি যাও গো চলে
এমন নিষ্ঠুর হইয়া।
তোমার চাওয়ার কি না দিছি
একটু বলে যাও।
কোথায় তোমার বাড়ি ঘর হায়
আমায় কইয়া যাও।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা